শিশুকে ডায়াপার পরিয়ে নিশ্চিন্তে থাকেন অনেক মা-বাবা। কিন্তু দীর্ঘ সময় এটি পরিয়ে রাখলে যে শিশুর ত্বকে কতটা সমস্যা হয় তা হয়তো জানেন না। অনেকের প্রায় ৩ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে ডায়াপার পরিয়ে রাখেন। কিন্তু এটি ব্যবহারের সময়, নিয়ম বা পদ্ধতি জানেন না। ফলে শিশুর অস্বস্তি তো হয়ই, পাশাপাশি ত্বকে দেখা দেয় র্যাশ, চুলকানির মতো চর্মরোগ। Shishu Cozy - শিশু আরামদায়ক
শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুকে ডায়াপার পরানোর ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম জানা উচিত। তাহলে সম্ভাব্য সমস্যা এড়ানো যায়।
ডায়াপার পরানোর ক্ষেত্রে সতর্কতা
১. ডায়াপার সবসময় পরাতেই হবে এমন ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসুন। এটি সবসময় পরিয়ে রাখার পোশাক নয়। Shishu Cozy - শিশু আরামদায়ক
২. কাছাকাছি কোথাও গেলে কিংবা ঘরে থাকলে শিশুকে ডায়াপার পরাবার দরকার নেই। খুব সমস্যা না থাকলে শিশুকে ডায়াপার ছাড়াই রাখতে চেষ্টা করুন।
৩. নরম সুতির কাপড়ের ডায়াপার কিনুন। অন্য ধরনের কাপড়ে ঘষা লেগে শিশুর ত্বক লালচে হয়ে যায়। কী ধরনের ডায়াপার আপনার সন্তানের ত্বকের জন্য উপযুক্ত তা শিশু চিকিৎসকের কাছে জেনে নিন।
৪. ভিজে ভিজে ভাব অর্থাৎ লিকেজ হলেই বোঝা যাবে এমন ডায়াপারই কিনুন। ভিজে গেলেই সঙ্গে সঙ্গে তা বদলে দিন। Shishu Cozy - শিশু আরামদায়ক
৫. ডায়াপার না ভিজলে ঘণ্টা দুই অন্তর ডায়াপার বদলে দেওয়ার চেষ্টা করুন।
শিশুকে ডায়াপার পরানোর ক্ষেত্রে আরও যে বিষয়গুলো নজরে রাখবেন-
রাতভর ডায়াপার নয়
শিশুকে রাতভর ডায়াপার পরিয়ে রাখবেন না। ডায়াপার ছাড়াই ঘুম পাড়ান। প্রয়োজনে অভিভাবকেরা পালা করে রাতভর দায়িত্ব নিন। পুরো রাত ডায়াপার পরিয়ে রাখলে শিশুর ত্বকে র্যাশ হবে।
বেশি সময় নয় Shishu Cozy - শিশু আরামদায়ক
অনেক অভিভাবকই ১২-১৪ ঘণ্টা ডায়াপার পরিয়ে রাখেন। এতে শিশুর ত্বকে ঘষা লেগে র্যাশ, অ্যালার্জি হয়। ত্বক লালচে হয়ে ফুলে যায়, জ্বালা সৃষ্টি হয়।
মলমূত্রের দিকে খেয়াল রাখা
বাচ্চা মলমূত্র ত্যাগ করলে সেই অবস্থায় ডায়াপার পরিয়ে রাখলে ত্বকে সংক্রমণ হতে পারে। তাই এদিকে খেয়াল রাখুন।
ভালো করে গোসল
শিশুকে রোজ ভালো করে গোসল করান। গোসলের পর অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল দিয়ে ত্বকে মালিশ করুন। এতে র্যাশের সম্ভাবনা কমে যায়। Shishu Cozy - শিশু আরামদায়ক
জন্মের ৩ সপ্তাহ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে ন্যাপকিন র্যাশের সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই এই সময় ডায়াপার পরাবেন কি না, বা পরালে কী ধরনের ডায়াপার কিনবেন, কতক্ষণ পরাবেন, তা শিশু চিকিৎসকের থেকে জেনে নিন।

Comments
Post a Comment